
দুই যুবতীকে অফিসে আটকে রেখে নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ রাজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধেফতুল্লার এনায়েতনগরে দুই যুবতীকে অফিসে ডেকে আটকে রেখে নির্যাতন, ধর্ষণচেষ্টা, নগদ টাকা ও স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজীব ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের একজন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর রাজীব ভূঁইয়া ও তাঁর সহযোগীরা দুই যুবতীকে নিজেদের অফিসে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের আটকে রেখে নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও সঙ্গে থাকা স্মার্টফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি কাউকে জানালে তাঁদের গণধর্ষণ করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, রাজীব ভূঁইয়ার ছোট ভাই আল আমিন অতীতে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ফতুল্লা থানা যুবলীগের নেতা মীর সোহেলের অনুসারী হিসেবে রাজনীতি করতেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ফতুল্লা থানা ও এনায়েতনগর ইউনিয়নের প্রেম রোড এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলত।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আল আমিন এলাকা ছেড়ে চলে গেলে রাজীব ভূঁইয়া বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। এলাকাবাসীর দাবি, রাজীব ভূঁইয়া স্থানীয় বিএনপি নেতা রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলতে অনেকেই ভয় পান বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।