ধর্মের নামে অকাতরে চলছে ধর্ম ব্যবসা।

Spread the love

মুসলিম প্রধান বাংলাদেশ। এই দেশে অন্যান্য ধর্মের তুলনায় মুসলিম ধর্ম অর্থাৎ ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের সংখ্যা বেশি তাই এই দেশকে মুসলিম প্রধান দেশ বলা হয়। এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিক থাকলেও এরপর থেকেই শুরু হচ্ছে বিপত্তি। ইসলাম ধর্মের প্রতি অগাধ ভক্তি ও শ্রদ্ধা থাকায় এদেশের মানুষকে একের পর এক ইসলামের নামে বা ইসলামী অনুষ্ঠানের নামে অথবা ইসলামী কোন কাজের নামে একের পর এক ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে একদল সুফি নামধারী মূর্খ ও ভন্ড সাধক এদের প্রথম এবং প্রধান কাজ হচ্ছে ইসলামী পরিচয় দেয় ব্যবহার করে এদেশের মানুষকে একের পর এক প্রতারণার স্বীকার করা। এবং আমাদের দেশের সরলমলা মুসলমান সহ অন্যান্য ধর্মের আরো অনেক সহজ সরল মানুষ তাদের এই প্রতারণা শিকার হচ্ছেন। তাদের মূল লক্ষ্যই থাকে অন্ধবিশ্বাসে ডুবে থাকা বাংলাদেশের সহজ সরল মুসলিম নাগরিকরা। যাদেরকে ধর্ম কিংবা আজাবের ভয় দেখিয়ে সহজেই এ সকল ভন্ডামিতে লিপ্ত করানো যায়। ঠিক তেমনি এক ভন্ড সাধকের দেখা মিলে সময়পত্র ২৪ এর চোখে। তার নাম :খাজা মেহবুব চিশতী হক সুফি রনজিৎ শাহ। রামের প্রথম অংশ পড়ে হয়তো ভেবেছেন সে একজন মুসলমান কিন্তু শেষ অংশে সেই আপনিও আমাদের মত হাঁ হয়ে গেছেন কেননা তার নাম এর শুরু মুসলমান নাম দিয়ে হলেও শেষ হয়েছে হিন্দু বা অন্য ধর্মের একটি নাম দিয়ে কাজে এখান থেকেই বোঝা যাচ্ছে সে ভন্ডামি এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। সময়পত্র ২৪ এই সাধকের সাথে সুফি নামধারী এই ভন্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে জানা যায় তিনি ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলতে রাজি নন বরঞ্চ তিনি সময় পত্র ২৪ এর সাংবাদিককে হুমকি দেন। তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন তার পেছনে লাগার হরিনাম ভয়াবহ হবে। এরপরও দমে যায়নি সময় পত্র 24 এর প্রতিনিধিরা চেষ্টার পর চেষ্টা করে তারা এই সাধকের বিষয় জানতে পারে যে তিনি শুধু মুসলিম না অনেক অন্য ধর্মের সাধারণ মানুষের উপর ও তার এই ভন্ডামি প্রয়োগ করেছেন। পর্যাপ্ত প্রমাণ এবং উপযুক্ত তথ্যাদি থাকার পরেও প্রশাসন এ সকল ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোন নিচ্ছে না বরঞ্চ তারা এদেরকে আরো প্রটোকল এবং নিরাপত্তা দেয়ার চেষ্টা করে। তবে কি এভাবে প্রতারণার শিকার হবে বাংলাদেশের সাধারণ মুসলমানরা? তবে কি এভাবেই ধর্মকে ব্যবহার করে আত্মসাৎ করা হবে হাজার হাজার মুসলমানের অর্থ এবং ইমান? জনসাধারণের প্রশ্ন কেন এদের বিরুদ্ধে একশন কিংবা কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না তারা জানতে চান এ সকল ভন্ডদের কোনই শাস্তি হবে না? তারা বাংলাদেশে ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে এভাবেই উন্মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াবে এভাবেই প্রতারণা করে যাবে সাধারণ মানুষের সাথে? এই সমস্ত প্রতারণার হাত থেকে বাঁচতে চাই বাংলাদেশের জনগণ তারা মুক্তি পেতে চায় ধর্মান্ধ এই ধর্মব্যবসায়ীদের ধর্ম ব্যবসা থেকে তারা দ্রুত নিস্তার চায় এই অশান্তি এবং নৈরাজ্য থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *