টিপুর হকার উচ্ছেদ

Spread the love

নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান সড়ক দীর্ঘদিন ধরে হকারদের দখলে থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে। এই পরিস্থিতি থেকে জনসাধারণকে মুক্ত দিতে সড়ক দখলমুক্ত অভিযানে লাঠি হাতে মাঠে নামেছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। হকারদের “ঐ ম্যাচলাইট দে”—এভাবে তাড়া করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সড়ক খালি করেন তিনি। তবে দখলমুক্ত করার পর কিছু সময়ের ব্যবধানেই হকাররা আবার সড়ক দখল করে নিয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে মিশনপাড়া, চাষাড়া, বিবি রোড, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মার্কেট পর্যন্ত সড়কে জনগণের ভোগান্তি কমাতে নিজ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করেন টিপু। অভিযানে মহানগর বিএনপির একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন।অভিযান শেষে সংবাদমাধ্যমকে টিপু বলেন,“আমরা বারবার ডিসি ও এসপিকে বলেছি—ফুটপাত ও সড়ক নিয়ন্ত্রণ করতে। যেন কোনও ভ্যানগাড়ি বা হকার সড়কে বসতে না পারে। জনস্বার্থে আমি অন্তত ২০ বার বলেছি এবং অভিযান করেছি। এবার প্রশাসন পাঠাতে না পারায় জনগণের জন্য নিজেই লাঠি হাতে নেমেছি। জনগণের মঙ্গল করতে গিয়ে আমি স্বীকার করছি—হকারদের কিছুটা মারতেও হয়েছে। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নারায়ণগঞ্জের মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে না।”তিনি আরও বলেন,“আমি ডিসি ও এসপিকে স্পষ্ট জানিয়ে এসেছি—আজ থেকে কোনো ভ্যানগাড়ি সড়কে বসতে দেওয়া হবে না। আগামীকাল থেকেও যদি দেখি, তাহলে কেরোসিন দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেব। এটা প্রশাসনের কাজ, কিন্তু তারা আজ আছে কাল নেই—আমরা এই শহরের স্থায়ী বাসিন্দা। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, জনগণের স্বার্থে এ অভিযান চালিয়ে যাব, প্রয়োজনে প্রতিদিনই করব।”এ সময় ‘লাঠি হাতে’, ‘ওই ম্যাচলাইট দে’ ধরণের ধমক, ভয়-ভীতি এবং কান ধরে উঠবস করিয়ে হকারদের সড়ক ছাড়তে বাধ্য করা হয়।অভিযানের সময় পুরো শহর কিছুক্ষণের জন্য যানজটমুক্ত হয়ে ফাঁকা হয়ে যায়। তবে অল্পক্ষণ পরই দৃশ্যপট পাল্টে যায়—হকাররা আবারও সড়ক দখল করতে শুরু করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *