
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে ১৫০০ পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের এক কুখ্যাত ইয়াবা ব্যাবসায়ী গ্রেফতার।
…………………………………………………………….
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ সৈয়দুল আমিন (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী।
গ্রেপ্তারকৃত সৈয়দুল আমিন কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার মাথাভাঙ্গা বড়ডেইল এলাকার কালা মিয়ার ছেলে।
এর আগে শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সোনারগাঁও থানার এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ ইকরাম উজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়নের আষারঢ়িয়ারচর এলাকায় মেঘনা টোল প্লাজার সামনে চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে চট্টগ্রামগামী “J.B পরিবহন” (চট্ট মেট্রো-ব-১১-১৬৮৩) নামক একটি বাসে তল্লাশি চালান।
এসময় মোঃ সৈয়দুল আমিনকে আটক করে তার কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) রাশেদুল হাসান জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাকে বিজ্ঞ নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জেলা পুলিশ, নারায়ণগঞ্জ District Police, Narayanganj RAB 11, Narayanganj জেলা প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক সার্কেল, নারায়ণগঞ্জ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বন্দর থানা, নারায়ণগঞ্জ Bandar PS, Narayanganj
প্রশাসনের কাছে দাবি এলাকার স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এ ধরনের মাদক কারবারিদের শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না—তাদের পেছনের মূল হোতা, শেল্টারদাতা ও যোগাযোগকারীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।
কোথা থেকে তারা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সংগ্রহ করে,
কার সহযোগিতায় পরিবহন ব্যবহার করে মাদক ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে—এসব বের করতে পুলিশি রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদক ব্যবসায়ীদের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তাদের গডফাদার ও ডিলারদেরও শনাক্ত করা সম্ভব।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোর পদক্ষেপ নেয়, তবে এ অঞ্চলের মাদক সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলা সম্ভব হবে।