এবার নবীন বরনের সমালোচনায় সাবেক আহবায়ক আতা ই রাব্বি!

Spread the love

তিনি তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেন,এ আবার কেমন নবীন বরণ!এজন্যেই জামায়াত ইসলামীর ভোট ব্যাংকের প্রভাব নারায়ণগঞ্জ চার আসনে পড়েছে। এজন্যেই বিএনপির বা আওয়ামীলীগের অল্টারনেটিভ অপশনে জনগনের আবেগ জামাত ইসলামের দিকে ঝুঁকে পড়েছিলো রিসেন্ট ঢাকা ৪, ৫ ও নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের নির্বাচনে।কেন বললাম কথা গুলো চলেন ব্যাখ্যা করি—————-ঃআওয়ামীলীগের সময় ছাত্রলীগ একতরফা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজে পরিচালনা করেছে।এর প্রতিবাদ আমরা ক্যাম্পাসে যতটুকু করছি তার চেয়ে বেশি প্রতিবাদ করেছে বাম ছাত্র সংগঠন গুলো।আমরাও করছি তবে আমরা ছিলাম মার্কিং এ।ভিপি মাসুকুল ইসলাম রাজীব ভাইয়ের ছাত্রদলের কমিটির পর দীর্ঘ সময়ে পরে আমি আতা ই রাব্বী চৌধুরী নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের আহ্বায়ক ও আজিজুল ইসলাম রাজিব সদস্য সচিব হই।সর্ব প্রথম ছাত্রদল কর্মসূচি গতিশীল করার অপরাধে আমি কয়েক বার বহিষ্কার হই, ছাত্রলীগের হামলা ও মারধরের স্বীকার হই।প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তা প্রকাশিত হয়।নাটক করতে পারি না তাই এসব নিয়ে নাচানাচি বা আমি অনেক ত্যাগী সেটা ঢালাও ভাবে প্রকাশ করতে আমার কাছে ছোটলোকি,ছেচড়ামী বা ব্যাক্তিত্বহীন মানুষের মতো লাগে।সে সময় যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লা আল মামুন, রবিউল ইসলাম রবি কয়েকদফা মারধরের স্বীকার হয়।এরপর সদস্য সচিব রাজিবের উপরো হামলা হয়।ছাত্রদলের তুলনায় ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ছিলো আরো ভয়াবহ।তারা গোপনে গোপনে মেধাবী কর্মী সংগ্রহ করতো। এরমধ্যে আমার কয়েকজন ব্যাচ মেটো ছিলো।তারা ছিলো বুতুম মাছের মতো।আমি জানতাম তারা শিবির তবে আওয়ামীলীগের বাততির তলে অন্ধকার জগত হিসেবে তারা ছিলো। ছাত্রলীগ তা বুঝতেই পারি নি।একতরফা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাত্রলীগ পরিচালনার জন্য তারা বাস্তবিক অর্থে ছিলো রেললাইন বা বহিরাগত পোলাপাইনের উপর নির্ভর।জোর করে কর্মসূচিতে সামনের সারিতে কিছু পোলাপান দিয়ে বাদবাকি বহিরাগত দিয়ে দায়সারা কর্মসূচি পালন করতো‌।আর আওয়ামীলীগের বেশে শিবির তাদেরই খেয়েছে তাদেরই পড়েছে। দিনশেষে নারায়ণগঞ্জ ছাত্রলীগ জিরো হয়েছে।দেখেন নারায়ণগঞ্জ চার আসনের এমপি আব্দুল্লা আল আমিন সে জনগণের মেন্ডেট নিয়ে এমপি হয়েছে।অথচ হাসিনার পতনে বিএনপির পাশাপাশি এনসিপি বা জামাতের অবদান কি অস্বীকার করার মতো?এম্পি বা এনসিপির প্রতিনিধি হিসেবে কি তার নামটা আসতে পারতো না?ওনার সাথে কথা হয় না।তবে জুলাই আন্দোলনে তার দলের জন্য তাকে মূল্যায়ন করি।শিবির খারাপ তাই বলে তাদের ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে তো স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগকে মেনে নেয়া যায় না।যায় কি?আমরা কি আওয়ামীলীগ বা ছাত্রলীগের মতো একতরফা মতামত চাপিয়ে দিলাম না? এ বৈষম্য বা নীতি নৈতিকতা দিয়ে কি ছাত্রদলের জন্য তোলারাম কলেজ থেকে নতুন ছাত্রনেতার উৎপাদন হবে?তোলারাম কলেজটা আবেগের জায়গা।সাবেক ছাত্র হিসেবে তো আমাদেরও দাওয়াত পাওয়ার কথা।ফেইসবুক না থাকলে তো জানতামই না কাল নবীন বরণ তোলারাম কলেজে।আমি চাই অবাধ ,খোলা মেলা রাজনৈতিক সহ অবস্থান। শামীম ওসমান সাহেবের মতো একতরফা রাজনীতি করে নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট যেনো এ ম্যাসেজ না যায় যে” ছাত্রদল বা ছাত্রলীগ পয়সার এপিঠ ওপিঠ!”যে বা যারা নবীন বরণ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে তাদের উচিত ছিল তোলারাম কলেজের যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত তাদের কে ও অতিথির আসনে রাখা তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝখানে খুব সুন্দর একটি মেসেজ যেত যে এ প্রতিষ্ঠান থেকেও দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অধিদপ্তরে বা বিসিএস ক্যাডারে যোগ্যতার ভিত্তিতে অবস্থান পাওয়া যায়।তারা অনুপ্রাণিত হতো এবং তারা তাদের নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারত।কিন্তু এই অনুষ্ঠান দিয়ে নবীন বরণের নবীনদের মাঝে কি মেসেজ যাবে এর উত্তর কারো কাছে আছে কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *