
বাংলাদেশের নাগরিকত্বের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ পত্র হলো ভোটার আইডি কার্ড। যাকে আমরা NID কার্ড বলে থাকি।
কিন্তু এই আইডি কার্ড তৈরি করতে আসা মানুষজনের পড়তে হয় নানা রকম সমস্যায়।নামের বানান ভুল হয় কারো বা কারো বাড়ির ঠিকানা ভুল। এই বিষয় নিয়ে সেবাগ্রহীতার মধ্যে রয়েছে বিরক্তির এক ছাপ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় এক বিশাল লাইন। লাইনে দারানো একাধিক ব্যাক্তির সাথে কথা বলা হয়।
লাইনে দাড়ানো এক ব্যক্তি বলেন,এক ঘন্টার উপর লাইনে দারানো আমি। লাইন সামনের দিকে সহজে বারতাসে না।কিছু বুঝতেও পারতাসিনা। মানুষের সময়ের কি কোন দাম নাই নাকি?
তিনি আরো বলেন, মাঝে মাঝে দেখি এর পরিচিত তার পরিচিত বইলা লাইন ব্রেক করে সামনে বাইরা কাজ কইরা চইলা যাইতাসে।পরিচিত না থাকা কি এখন দোষ আমার? বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।
অন্য এক লাইনে দাড়ানো মহিলা বলেন, ভাই অনেকক্ষণ হইলো দাড়ায় আসি। এমনে কি হয় নাকি বলেন? যদি তাগো কাজের লোক কম থাকে তাহলে তারা নতুন লোক নিক।মানুষরে এমনে ভুগানের কোন মানে আসে নাকি ভাই?
লাইনে দাড়ানো এক তরুণ বলেন, ভিতরে যেই নির্বাচন অফিসার কর্তব্যরত আছেন তিনি তার কাজে অমনোযোগী। তিনি তার কাজ সঠিক ভাবে করছেন না। তিনি তার কাজের সঙ্গীদের সাথে আড্ডায় লিপ্ত হন কিছু সময় পর পর।
সেই তরুণ আরো বলেন, তিনি তার কাজ রেখে মাঝে মাঝেই তার মোবাইলের মধ্যে তার ব্যাক্তিগত কাজে লিপ্ত হন। তার কাজের এই অমনোযোগীতায় আমরা ভুক্তভোগী।আমরা এই দিকে একটু প্রশাসনের সুদৃষ্টি দাবি করি।যাতে আমরা যারা সাধারণ মানুষ আছি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাই।
সহকারী সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুস সত্তারের কক্ষে গিয়ে দেখা যায় তিনি তার কাজে অমনোযোগী। এবং সকলে সকল অভিযোগি প্রায় সত্য। তিনি তার কাজ অনেক ধীরগতিতে পরিচালনা করছেন। তিনি আমাদের দেখে না দেখার ভান করে তার কাজ কিছুটা তারাতাড়ি করার চেষ্টা করেন বলে আমরা লক্ষ করি।
সর্বপরি সাধারণ মানুষের কাছে এনআইডি কার্ডের এই কাজের ধীরগতি এক দুঃস্বপ্নে পরিনত হয়েছে। তারা এই দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি চান।