
নারায়ণগঞ্জ শহরের এক প্রতিদিনের সমস্যা হচ্ছে যানযট। ছুটির দিন বা সাধারণ কর্ম দিন বলতে কোন পার্থক্য নেই। সপ্তাহে প্রতিদিনি শহরে যানযট দেখা যায়। এটা এখন নারায়ণগঞ্জে বসবাসরত মানুষের জীবনের সঙ্গী হয়ে গিয়েছে। প্রতিদিন সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ কর্মঘণ্টা এই যানযটে নষ্ট হচ্ছে।
সরজমিন দেখা যায়,শহরের দুই নম্বর গেইট, কালিবাজার ও চাষাঢ়া এই তিন যায়গায় যানযট এর পরিমাণ সর্বোচ্চ। সাধারণ মানুষ এই তিন যায়গা এরিয়ে চলার চেষ্টা করেন বর্তমানে।
এক পথচারী বলেন,আগে এতো যানযট ছিলো না।এখন অটো অতিরিক্ত চলে। উল্টা পাল্টা যে দিক দিয়া মোনচায় ওদিক দিয়া চলে।এরজন্যই এতো যানযট। এগুলিরে একটা নিয়মে আনা প্রয়োজন। না হয় এই সমস্যা কোনদিনও সমাধান হবে না।
তিনি আর বলেন,একে তো রাস্তায় বর্তমানে গাড়ি বেশি।তারউপর প্রায় এক বছর যাবত রাস্তায় ড্রেনের কাজ চলতাসে।যার জন্য রাস্তা আরো ছোট হইয়া গেসে। আর হকার তো বাদি দিলাম। হকাররা তো ফুটপাতে বসার পরও এখন রাস্তায়ও বসে।যদি তাদেরকে উচ্ছেদ না করা হয় তাহলে এই সমস্যার কোন সমাধান হবে না।নারায়ণগঞ্জবাসী এই যানযট থেকে মুক্তি পাবে না।
এক শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যানযট একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে। সকালে আর দুপরের কিছু সময় আর রাতে থাকে।সকালে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলি যাতায়াত করে তখন একটা যানযট তৈরি হয়। দুপুরে একটা যানযট থাকে। রাতে এটা ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
তিনি আরে বলেন,এটার মুল কারণ অবৈধ ইজিবাইক এবং বাস।বন্ধন, উৎসব, বাধন,বন্ধু, মৌমিতা ইত্যাদি বাসগুলো এটার জন্য দায়ী অনেক ক্ষেত্রে। তারা যেখানে সেখানে বাস থামিয়ে মানুষকে তাদের বাসে তুলে নেয়। এতে একটা যানযট তৈরি হয়। ইজিবাইক গুলি কোন নিয়ম না মেনে মোন মত চলাচল করে। তারা শহরে একাধিক যায়গায় অবৈধ স্ট্যান্ড তৈরি করে যানযট তৈরি করছে। এদের কে নিয়মে আনা না গেলে এই সমস্যার কোন সমাধান হবে না।
সর্বোপরি সাধারণ নারায়ণগঞ্জ বাসী এই যানযট থেকে মুক্তি চায়।তারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ কর্মঘণ্টার সঠিক ব্যবহার করতে চান।