
রমজান হলো ইসলামের পবিত্রতম মাস, যা কুরআন নাজিলের মাস, রহমত, মাগফিরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুযোগ নিয়ে আসে [১, ৩]। এই মাসে রোজা রাখা ইসলামের চতুর্থ স্তম্ভ [৩], এবং প্রতিটি নফল ইবাদতের সওয়াব অন্য মাসের ফরজ ইবাদতের সমান [১০]। লাইলাতুল কদর হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ, আর রোজাদারের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ রয়েছে [১, ৪]। রমজানের প্রধান ফজিলত ও তাৎপর্যসমূহ:পাপ মোচন ও মাগফিরাত: ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখলে পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয় [৩, ১১]।জাহান্নাম থেকে মুক্তি: রমজান মাসে আল্লাহ জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেন এবং জান্নাতের দরজা খুলে দেন [৩, ৪]।লাইলাতুল কদরের শ্রেষ্ঠত্ব: রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতে রয়েছে ‘শবে কদর’, যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম [১, ১০]।কুরআন নাজিলের মাস: এই মাসে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে, যা মানবজাতির হেদায়েত [১, ৪]।ইবাদতের প্রতিদান: রোজাদারের জন্য বিশেষ প্রতিদান রয়েছে, কারণ রোজা সরাসরি আল্লাহর জন্য [৪, ৬]।ইফতার ও সাহরির বরকত: রোজাদারকে ইফতার করালে রোজাদারের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায় [৯]। এই মাসে আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য এবং সহানুভূতির চর্চা করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায় [২, ৬]।